মিয়ানমার নিয়ে জাতিসংঘে খসড়া প্রস্তাব চীন ও রাশিয়া এখনো সম্মতি দেয়নি
- Get link
- X
- Other Apps
চীন ও রাশিয়ার সম্মতি না পাওয়ায় জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে শেষ পর্যন্ত এ মাসে কোনো প্রস্তাব নেওয়া গেল না। তবে জাতিসংঘের মানবিক ও মানবাধিকারবিষয়ক ফোরাম থার্ড কমিটিতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী আজ বুধবার একটি প্রস্তাবের খসড়া দিচ্ছে সৌদি আরব। সদস্যদেশগুলোর মধ্যে বিস্তারিত আলোচনার পর এটি গৃহীত হওয়ার কথা রয়েছে।
নিউইয়র্কের কূটনৈতিক সূত্রগুলো গতকাল মঙ্গলবার জানিয়েছে, ৩১ অক্টোবর নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতি হিসেবে ফ্রান্সের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই মিয়ানমার প্রশ্নে একটি খসড়া প্রস্তাব চূড়ান্ত হতে পারে, এমন আশা বাস্তবে পরিণত হয়নি। কারণ, ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য ইতিমধ্যে যে খসড়া প্রস্তাব বিলি করেছে, সেটার ভাষার ব্যাপারে গতকাল পর্যন্ত চীন ও রাশিয়া তাদের সম্মতি জানায়নি। প্রস্তাবের দু–একটি বিষয়ে জাপান তাদের আপত্তির কথা জানিয়েছে।
এদিকে চীন ও রাশিয়ার এই অবস্থানের পরও দুই দেশের সঙ্গে নানাভাবে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এরই অংশ হিসেবে গতকাল ঢাকায় চীন ও রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আলাদা বৈঠকে বাংলাদেশ দুই দেশের সমর্থন চেয়েছে। গতকাল দুপুরে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী দুই দেশের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আলাদাভাবে আলোচনা করে এই অনুরোধ জানান।
নিউইয়র্কে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের দায়িত্বশীল একটি সূত্র প্রথম আলোকে জানিয়েছে, নিরাপত্তা পরিষদের দুই স্থায়ী সদস্য চীন ও রাশিয়ার সম্মতি আদায়ে জোর চেষ্টা চলছে। নিরাপত্তা পরিষদের চূড়ান্ত প্রস্তাবে যে ভাষাই ব্যবহৃত হোক না কেন, এই দুই দেশ যাতে ভেটো প্রয়োগ না করে, বাংলাদেশের কূটনীতিকেরা সে ব্যাপারে বিশেষভাবে আগ্রহী। কিন্তু পরিষদের এই দুই স্থায়ী সদস্যের মন জোগাতে যেন প্রস্তাবের ভাষা নিরর্থক না হয়ে যায়, সে ব্যাপারেও বাংলাদেশ সচেতন।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের থার্ড কমিটিতে মিয়ানমারের মানবাধিকার পরিস্থিতি প্রশ্নে আলোচনা শেষে একটি খসড়া প্রস্তাব নিয়ে আলাপ-আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। ওআইসির পক্ষে সৌদি আরব ইতিমধ্যে যে খসড়া বিলি করেছে, তাতে মিয়ানমার প্রশ্নে জাতিসংঘের মহাসচিবের একজন বিশেষ প্রতিনিধির প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০১২ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত ভারতের বিজয় নাম্বিয়ার মিয়ানমার প্রশ্নে মহাসচিবের বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর অবসর গ্রহণের পর এই পদে অন্য কাউকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। ওআইসির সদস্যরা মনে করে, উপমহাসচিবের মর্যাদায় একজন বিশেষ প্রতিনিধি নিয়োগ পেলে রোহিঙ্গা প্রশ্নে বিশ্বের মনোযোগ ধরে রাখা সহজ হবে। বাংলাদেশ এই প্রস্তাবকে সমর্থন করছে, কিন্তু এই প্রস্তাব শেষ পর্যন্ত গৃহীত হবে কি না, সে ব্যাপারে অনিশ্চয়তা রয়েছে।
নিউইয়র্কের কূটনৈতিক সূত্রগুলো গতকাল মঙ্গলবার জানিয়েছে, ৩১ অক্টোবর নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতি হিসেবে ফ্রান্সের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই মিয়ানমার প্রশ্নে একটি খসড়া প্রস্তাব চূড়ান্ত হতে পারে, এমন আশা বাস্তবে পরিণত হয়নি। কারণ, ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য ইতিমধ্যে যে খসড়া প্রস্তাব বিলি করেছে, সেটার ভাষার ব্যাপারে গতকাল পর্যন্ত চীন ও রাশিয়া তাদের সম্মতি জানায়নি। প্রস্তাবের দু–একটি বিষয়ে জাপান তাদের আপত্তির কথা জানিয়েছে।
এদিকে চীন ও রাশিয়ার এই অবস্থানের পরও দুই দেশের সঙ্গে নানাভাবে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এরই অংশ হিসেবে গতকাল ঢাকায় চীন ও রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আলাদা বৈঠকে বাংলাদেশ দুই দেশের সমর্থন চেয়েছে। গতকাল দুপুরে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী দুই দেশের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আলাদাভাবে আলোচনা করে এই অনুরোধ জানান।
নিউইয়র্কে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের দায়িত্বশীল একটি সূত্র প্রথম আলোকে জানিয়েছে, নিরাপত্তা পরিষদের দুই স্থায়ী সদস্য চীন ও রাশিয়ার সম্মতি আদায়ে জোর চেষ্টা চলছে। নিরাপত্তা পরিষদের চূড়ান্ত প্রস্তাবে যে ভাষাই ব্যবহৃত হোক না কেন, এই দুই দেশ যাতে ভেটো প্রয়োগ না করে, বাংলাদেশের কূটনীতিকেরা সে ব্যাপারে বিশেষভাবে আগ্রহী। কিন্তু পরিষদের এই দুই স্থায়ী সদস্যের মন জোগাতে যেন প্রস্তাবের ভাষা নিরর্থক না হয়ে যায়, সে ব্যাপারেও বাংলাদেশ সচেতন।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের থার্ড কমিটিতে মিয়ানমারের মানবাধিকার পরিস্থিতি প্রশ্নে আলোচনা শেষে একটি খসড়া প্রস্তাব নিয়ে আলাপ-আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। ওআইসির পক্ষে সৌদি আরব ইতিমধ্যে যে খসড়া বিলি করেছে, তাতে মিয়ানমার প্রশ্নে জাতিসংঘের মহাসচিবের একজন বিশেষ প্রতিনিধির প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০১২ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত ভারতের বিজয় নাম্বিয়ার মিয়ানমার প্রশ্নে মহাসচিবের বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর অবসর গ্রহণের পর এই পদে অন্য কাউকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। ওআইসির সদস্যরা মনে করে, উপমহাসচিবের মর্যাদায় একজন বিশেষ প্রতিনিধি নিয়োগ পেলে রোহিঙ্গা প্রশ্নে বিশ্বের মনোযোগ ধরে রাখা সহজ হবে। বাংলাদেশ এই প্রস্তাবকে সমর্থন করছে, কিন্তু এই প্রস্তাব শেষ পর্যন্ত গৃহীত হবে কি না, সে ব্যাপারে অনিশ্চয়তা রয়েছে।
জাতিসংঘ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, সুনির্দিষ্টভাবে কোনো দেশের জন্য বিশেষ প্রতিনিধি নিয়োগের ব্যাপারে উন্নয়নশীল দেশসমূহের জোট গ্রুপ অব ৭৭–এর আপত্তি রয়েছে। তারা মনে করে, এ ধরনের বিশেষ প্রতিনিধির মাধ্যমে উন্নত দেশসমূহ ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলানোর চেষ্টা করে থাকে। একই কারণে চীনও মিয়ানমারের প্রশ্নে বিশেষ প্রতিনিধি নিয়োগের বিপক্ষে। এই খসড়ায় যে ভাষায় মিয়ানমারের সমালোচনা করা হয়েছে, চীন তার ব্যাপারেও অসন্তুষ্ট। তারা মনে করে, পরিস্থিতি স্বাভাবিকীকরণে মিয়ানমার সরকার ইতিমধ্যে যে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে, তার ফলে অবস্থার উন্নতি হয়েছে। এই উন্নতির জন্য মিয়ানমারের প্রতি ‘প্রশংসা’ করে একটি ধারা সংযোজিত হোক। বাংলাদেশ অবশ্য চীনের অবস্থানের প্রতি আপত্তি জানিয়েছে। তারা মনে করে, অবস্থার এমন কোনো উন্নত হয়নি যে কমিটির প্রস্তাবে তা আলাদাভাবে উল্লেখ করতে হবে।
বিশেষ প্রতিনিধি প্রশ্নে শিল্পোন্নত দেশসমূহের সমর্থন থাকলেও এই নিয়োগের ফলে যে অতিরিক্ত বাজেট বরাদ্দ করতে হবে, সে ব্যাপারে তাদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে।
বিশেষ প্রতিনিধি প্রশ্নে শিল্পোন্নত দেশসমূহের সমর্থন থাকলেও এই নিয়োগের ফলে যে অতিরিক্ত বাজেট বরাদ্দ করতে হবে, সে ব্যাপারে তাদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে।
- Get link
- X
- Other Apps

Comments
Post a Comment